শিরোনামঃ
আন্তর্দেশীয় বিয়ের আড়ালে নারী পাচার, এখনই সতর্ক হতে হবে ময়মনসিংহে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভূমিকম্প বিকল্পে টেকসই জরুরি কমিউনিকেশন এক্সারসাইজ মহড়া অনুষ্ঠিত  কুমিল্লায় গৃহবধূ মরিয়ম বেগম হত্যায় শ্বশুর-শাশুড়ি ও দেবরের যাবজ্জীবন কক্সবাজারে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ৩১ ভরি স্বর্ণালংকারসহ দুইজন চোরাচালানকারীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব পদে ঠাকুরগাঁওয়ের আউয়াল আহমেদ পরীমণির গাড়ি বিতর্ক: ‘মাসরুর’ নামের বিভ্রান্তির মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক: প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে উগ্রবাদের পুনরুত্থান ও রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ একাত্তর নিয়ে নতুন বয়ান, পুরোনো প্রশ্নের উত্তর কোথায় এক ছাদের নিচে আরবের স্বাদ: বিয়ন্ড বুফেতে বিশেষ ফুড ফেস্টিভ্যাল

ঋণের ফাঁদে ‘দুই হাজার কোটি’, এস আলম–বিতর্ক নতুন আলোচনায়

#
news image

জনতা ব্যাংকের প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি মামলা ঘিরে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এস আলম গ্রুপ। ব্যবসায়ী সাইফুল আলম ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের নজরদারি ব্যবস্থা নিয়ে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘদিন ধরে চলা ঋণ অনুমোদনের অনিয়ম, মেয়াদোত্তীর্ণ এলটিআর, মার্জিন মানি ছাড়াই ঋণ দেওয়া, আমদানি পণ্যের যাচাই–বাছাই না করা—এসব একই চক্র বারবার ঘটিয়ে আসছে। এই মামলাটি সেই কাঠামোগত দুর্বলতার আরও বড় প্রমাণ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেকেই বলছেন, “করপোরেট কেলেঙ্কারিতে কাঁপে ব্যাংক, দায় কার—বোঝা যায় না শেষে!”

জনতা ব্যাংকের এই বিপুল আর্থিক ক্ষতি নিয়ে অর্থনীতি ও ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, এখন শুধু মামলা নয়, পুরো ব্যাংকিং খাতে কঠোর অডিট ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার করা জরুরি।

বিশেষ প্রতিনিধি

৮-১২-২০২৫ রাত ১২:৭

news image

জনতা ব্যাংকের প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি মামলা ঘিরে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এস আলম গ্রুপ। ব্যবসায়ী সাইফুল আলম ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের নজরদারি ব্যবস্থা নিয়ে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘদিন ধরে চলা ঋণ অনুমোদনের অনিয়ম, মেয়াদোত্তীর্ণ এলটিআর, মার্জিন মানি ছাড়াই ঋণ দেওয়া, আমদানি পণ্যের যাচাই–বাছাই না করা—এসব একই চক্র বারবার ঘটিয়ে আসছে। এই মামলাটি সেই কাঠামোগত দুর্বলতার আরও বড় প্রমাণ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেকেই বলছেন, “করপোরেট কেলেঙ্কারিতে কাঁপে ব্যাংক, দায় কার—বোঝা যায় না শেষে!”

জনতা ব্যাংকের এই বিপুল আর্থিক ক্ষতি নিয়ে অর্থনীতি ও ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, এখন শুধু মামলা নয়, পুরো ব্যাংকিং খাতে কঠোর অডিট ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার করা জরুরি।