শিরোনামঃ
ইউনূস সরকারের উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি জোরালো গরুর রাখাল থেকে ব্যাংক দখলের দৌড়ে, ফের আলোচনায় লোকিত উল্লাহ নদী ভাঙনকবলিত অসহায়দের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন স্বাভাবিক ব্যাংকিংয়ে ফেরার পথে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক মেঘনা নদীর ২৪১ একর জমি দখলের অভিযোগ, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য ৫০% পেনশন সমর্পণকারী কল্যাণ সমিতির অভিষেক ও মতবিনিময় সভা বসুন্ধরায় ছিনতাইয়ের ৩৬ ঘণ্টায় প্রধান অভিযুক্ত আটক ম্যাড স্টারস ২০২৬-এ SDG গ্র্যান্ড প্রিক্স জিতল ডিবিএল সিরামিকস-এর ‘টাইলচক’    মাদার তেরেসা ইন্টারন্যাশনাল পিস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’-এ সম্মানিত ইয়াশা সোবহান জলসিঁড়ি প্রকল্পের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জবাসীর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

যুদ্ধবিরতির মাঝেই সীমান্তে সংঘর্ষ: পাকিস্তান–তালেবান সম্পর্ক কোন দিকে যাচ্ছে?

#
news image

কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরই আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পাকিস্তান–আফগানিস্তান সীমান্ত। শুক্রবার রাতে হওয়া চার ঘণ্টার গোলাগুলি শুধু সীমান্ত নিরাপত্তাই নয়, দুই দেশের আস্থার সংকটও আরও গভীর করে তুলছে।

তালেবান বলছে, পাকিস্তানই প্রথম আক্রমণ করেছে, আর ইসলামাবাদ বলছে, তালেবানের দিক থেকেই উস্কানি এসেছে। দুই দেশের বক্তব্যের এমন বিপরীতমুখী পরিস্থিতি সম্পর্কের অস্থিরতাকে আরও স্পষ্ট করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মূল সমস্যার কেন্দ্রবিন্দু হলো পাকিস্তান তালেবানের ওপর টিটিপিকে দমন করার চাপ বাড়িয়েছে। টিটিপির ৬০০–এর বেশি হামলার পর পাকিস্তান সামরিক অভিযান জোরদার করেছে। আইএসপিআর ঘোষিত সাম্প্রতিক অভিযানে টিটিপির ৯ সদস্য নিহত হওয়াও সেই চাপের ইঙ্গিত দেয়।

অন্যদিকে, তালেবান নেতৃত্ব প্রকাশ্যে টিটিপিকে সমর্থন না করলেও তাদের দমনেও কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে না—এ অভিযোগ পাকিস্তানের। ফলে তালেবান সরকারের সঙ্গে পাকিস্তানের টানাপোড়েন এখন নতুন মাত্রা পাচ্ছে।

সৌদি আরবে দুই দেশের সাম্প্রতিক শান্তি বৈঠকেও কোনো সমাধান হয়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন সংঘর্ষ শুধু যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎকেই অনিশ্চিত করছে না, বরং অঞ্চলজুড়ে নিরাপত্তা কাঠামোতেও নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৬-১২-২০২৫ রাত ১১:৪৯

news image

কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরই আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পাকিস্তান–আফগানিস্তান সীমান্ত। শুক্রবার রাতে হওয়া চার ঘণ্টার গোলাগুলি শুধু সীমান্ত নিরাপত্তাই নয়, দুই দেশের আস্থার সংকটও আরও গভীর করে তুলছে।

তালেবান বলছে, পাকিস্তানই প্রথম আক্রমণ করেছে, আর ইসলামাবাদ বলছে, তালেবানের দিক থেকেই উস্কানি এসেছে। দুই দেশের বক্তব্যের এমন বিপরীতমুখী পরিস্থিতি সম্পর্কের অস্থিরতাকে আরও স্পষ্ট করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মূল সমস্যার কেন্দ্রবিন্দু হলো পাকিস্তান তালেবানের ওপর টিটিপিকে দমন করার চাপ বাড়িয়েছে। টিটিপির ৬০০–এর বেশি হামলার পর পাকিস্তান সামরিক অভিযান জোরদার করেছে। আইএসপিআর ঘোষিত সাম্প্রতিক অভিযানে টিটিপির ৯ সদস্য নিহত হওয়াও সেই চাপের ইঙ্গিত দেয়।

অন্যদিকে, তালেবান নেতৃত্ব প্রকাশ্যে টিটিপিকে সমর্থন না করলেও তাদের দমনেও কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে না—এ অভিযোগ পাকিস্তানের। ফলে তালেবান সরকারের সঙ্গে পাকিস্তানের টানাপোড়েন এখন নতুন মাত্রা পাচ্ছে।

সৌদি আরবে দুই দেশের সাম্প্রতিক শান্তি বৈঠকেও কোনো সমাধান হয়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন সংঘর্ষ শুধু যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎকেই অনিশ্চিত করছে না, বরং অঞ্চলজুড়ে নিরাপত্তা কাঠামোতেও নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে।