শিরোনামঃ
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচ দিয়ে নতুন সম্ভাবনার পথে আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়াম ক্রীড়াঙ্গনে পরিবর্তনের মশাল জ্বালিয়েছে এবিজি স্পোর্টস সিটি চিকিৎসাসেবা থেকে শিক্ষা সহায়তা: জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৭ বছর বসুন্ধরা গ্রুপের উপহারে ১০০ নারীর হাতে স্বাবলম্বিতার হাতিয়ার গাড়ির বাজার ও দুই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে মুখর আইসিসিবি তামাকজনিত মৃত্যু কমাতে সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধিমালা দ্রুত প্রণয়নের আহ্বান  দেবী দুর্গার মহিমা ও নারীশক্তির বন্দনায় প্রকাশিত ‘মহাদুর্গা’ মেরিটাইম প্রদর্শনী আর গাড়ির বাজারে সরগরম রাজধানীর আইসিসিবি চীনের গুয়াংসি ইউফেংয়ের সঙ্গে বসুন্ধরা গ্রুপের চুক্তি  মামলা প্রত্যাহারে আগে সম্মতি, ব্যাংকের ক্ষেত্রে নেই সেই নিশ্চয়তা

যুদ্ধবিরতির মাঝেই সীমান্তে সংঘর্ষ: পাকিস্তান–তালেবান সম্পর্ক কোন দিকে যাচ্ছে?

#
news image

কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরই আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পাকিস্তান–আফগানিস্তান সীমান্ত। শুক্রবার রাতে হওয়া চার ঘণ্টার গোলাগুলি শুধু সীমান্ত নিরাপত্তাই নয়, দুই দেশের আস্থার সংকটও আরও গভীর করে তুলছে।

তালেবান বলছে, পাকিস্তানই প্রথম আক্রমণ করেছে, আর ইসলামাবাদ বলছে, তালেবানের দিক থেকেই উস্কানি এসেছে। দুই দেশের বক্তব্যের এমন বিপরীতমুখী পরিস্থিতি সম্পর্কের অস্থিরতাকে আরও স্পষ্ট করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মূল সমস্যার কেন্দ্রবিন্দু হলো পাকিস্তান তালেবানের ওপর টিটিপিকে দমন করার চাপ বাড়িয়েছে। টিটিপির ৬০০–এর বেশি হামলার পর পাকিস্তান সামরিক অভিযান জোরদার করেছে। আইএসপিআর ঘোষিত সাম্প্রতিক অভিযানে টিটিপির ৯ সদস্য নিহত হওয়াও সেই চাপের ইঙ্গিত দেয়।

অন্যদিকে, তালেবান নেতৃত্ব প্রকাশ্যে টিটিপিকে সমর্থন না করলেও তাদের দমনেও কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে না—এ অভিযোগ পাকিস্তানের। ফলে তালেবান সরকারের সঙ্গে পাকিস্তানের টানাপোড়েন এখন নতুন মাত্রা পাচ্ছে।

সৌদি আরবে দুই দেশের সাম্প্রতিক শান্তি বৈঠকেও কোনো সমাধান হয়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন সংঘর্ষ শুধু যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎকেই অনিশ্চিত করছে না, বরং অঞ্চলজুড়ে নিরাপত্তা কাঠামোতেও নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৬-১২-২০২৫ রাত ১১:৪৯

news image

কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরই আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পাকিস্তান–আফগানিস্তান সীমান্ত। শুক্রবার রাতে হওয়া চার ঘণ্টার গোলাগুলি শুধু সীমান্ত নিরাপত্তাই নয়, দুই দেশের আস্থার সংকটও আরও গভীর করে তুলছে।

তালেবান বলছে, পাকিস্তানই প্রথম আক্রমণ করেছে, আর ইসলামাবাদ বলছে, তালেবানের দিক থেকেই উস্কানি এসেছে। দুই দেশের বক্তব্যের এমন বিপরীতমুখী পরিস্থিতি সম্পর্কের অস্থিরতাকে আরও স্পষ্ট করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মূল সমস্যার কেন্দ্রবিন্দু হলো পাকিস্তান তালেবানের ওপর টিটিপিকে দমন করার চাপ বাড়িয়েছে। টিটিপির ৬০০–এর বেশি হামলার পর পাকিস্তান সামরিক অভিযান জোরদার করেছে। আইএসপিআর ঘোষিত সাম্প্রতিক অভিযানে টিটিপির ৯ সদস্য নিহত হওয়াও সেই চাপের ইঙ্গিত দেয়।

অন্যদিকে, তালেবান নেতৃত্ব প্রকাশ্যে টিটিপিকে সমর্থন না করলেও তাদের দমনেও কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে না—এ অভিযোগ পাকিস্তানের। ফলে তালেবান সরকারের সঙ্গে পাকিস্তানের টানাপোড়েন এখন নতুন মাত্রা পাচ্ছে।

সৌদি আরবে দুই দেশের সাম্প্রতিক শান্তি বৈঠকেও কোনো সমাধান হয়নি। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন সংঘর্ষ শুধু যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎকেই অনিশ্চিত করছে না, বরং অঞ্চলজুড়ে নিরাপত্তা কাঠামোতেও নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে।