শিরোনামঃ
আন্তর্দেশীয় বিয়ের আড়ালে নারী পাচার, এখনই সতর্ক হতে হবে ময়মনসিংহে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভূমিকম্প বিকল্পে টেকসই জরুরি কমিউনিকেশন এক্সারসাইজ মহড়া অনুষ্ঠিত  কুমিল্লায় গৃহবধূ মরিয়ম বেগম হত্যায় শ্বশুর-শাশুড়ি ও দেবরের যাবজ্জীবন কক্সবাজারে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ৩১ ভরি স্বর্ণালংকারসহ দুইজন চোরাচালানকারীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব পদে ঠাকুরগাঁওয়ের আউয়াল আহমেদ পরীমণির গাড়ি বিতর্ক: ‘মাসরুর’ নামের বিভ্রান্তির মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক: প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে উগ্রবাদের পুনরুত্থান ও রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ একাত্তর নিয়ে নতুন বয়ান, পুরোনো প্রশ্নের উত্তর কোথায় এক ছাদের নিচে আরবের স্বাদ: বিয়ন্ড বুফেতে বিশেষ ফুড ফেস্টিভ্যাল

অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদের হিসাব: সাবেক এএসপি রুহুল আমিন দম্পতির বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত

#
news image

সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে আয়ের সঙ্গে মিল না থাকা বিপুল সম্পদের অভিযোগে বরগুনার সাবেক এএসপি রুহুল আমিন ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের অনুসন্ধান বলছে—দম্পতির নামে থাকা সম্পদ এবং ব্যাংক লেনদেন তাদের বৈধ আয়ের তুলনায় স্পষ্টভাবে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

তদন্তে দেখা যায়, রুহুল আমিনের নামে পাওয়া যায় ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকার সম্পদ, কিন্তু এর বিপরীতে গ্রহণযোগ্য আয় ১ কোটি টাকা। অর্থাৎ তাঁর কাছে থাকা ৫৪ লাখ ৭৯ হাজার টাকার সম্পদের উৎস অগ্রহণযোগ্য। আরও উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, তাঁর ব্যাংক হিসাবে ২ কোটি ৪ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে—যা একজন এসপি-র সমপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তার বেতন–ভাতার কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন।

দুদকের বিশ্লেষকদের ভাষায়, “সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যাংক লেনদেনে স্বচ্ছতা থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু এখানে জমা-উত্তোলনের পরিমাণ ও ফ্রিকোয়েন্সি দু’টোই প্রশ্ন তৈরি করে।”

অন্যদিকে, রুহুল আমিনের স্ত্রী রোকসান আরা বেগমের সম্পদের ক্ষেত্রেও আয়–সম্পদের স্পষ্ট অসামঞ্জস্য পাওয়া গেছে। তাঁর নামে থাকা মোট ৪ কোটি ১ লাখ টাকার সম্পদের বিপরীতে বৈধ আয় পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। ফলে ৩৭ লাখ ৮২ হাজার টাকা ব্যাখ্যাতীত থেকে গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত বেড়েছে। উচ্চ আদালতও ‘অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ’–এর ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের নির্দেশনা দিয়েছে। রুহুল আমিন দম্পতির বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্তকে সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

৩০-১১-২০২৫ রাত ১১:৪৯

news image

সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে আয়ের সঙ্গে মিল না থাকা বিপুল সম্পদের অভিযোগে বরগুনার সাবেক এএসপি রুহুল আমিন ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের অনুসন্ধান বলছে—দম্পতির নামে থাকা সম্পদ এবং ব্যাংক লেনদেন তাদের বৈধ আয়ের তুলনায় স্পষ্টভাবে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

তদন্তে দেখা যায়, রুহুল আমিনের নামে পাওয়া যায় ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকার সম্পদ, কিন্তু এর বিপরীতে গ্রহণযোগ্য আয় ১ কোটি টাকা। অর্থাৎ তাঁর কাছে থাকা ৫৪ লাখ ৭৯ হাজার টাকার সম্পদের উৎস অগ্রহণযোগ্য। আরও উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, তাঁর ব্যাংক হিসাবে ২ কোটি ৪ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে—যা একজন এসপি-র সমপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তার বেতন–ভাতার কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন।

দুদকের বিশ্লেষকদের ভাষায়, “সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যাংক লেনদেনে স্বচ্ছতা থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু এখানে জমা-উত্তোলনের পরিমাণ ও ফ্রিকোয়েন্সি দু’টোই প্রশ্ন তৈরি করে।”

অন্যদিকে, রুহুল আমিনের স্ত্রী রোকসান আরা বেগমের সম্পদের ক্ষেত্রেও আয়–সম্পদের স্পষ্ট অসামঞ্জস্য পাওয়া গেছে। তাঁর নামে থাকা মোট ৪ কোটি ১ লাখ টাকার সম্পদের বিপরীতে বৈধ আয় পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। ফলে ৩৭ লাখ ৮২ হাজার টাকা ব্যাখ্যাতীত থেকে গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত বেড়েছে। উচ্চ আদালতও ‘অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ’–এর ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের নির্দেশনা দিয়েছে। রুহুল আমিন দম্পতির বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্তকে সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।