সাগর–রুনি হত্যা মামলা: ১২ বছরেও রহস্য অমীমাংসিত, বারবার পেছাচ্ছে তদন্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০-১১-২০২৫ রাত ১১:৪৬
সাগর–রুনি হত্যা মামলা: ১২ বছরেও রহস্য অমীমাংসিত, বারবার পেছাচ্ছে তদন্ত
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আরও একবার পিছিয়েছে। ইতিমধ্যে ১২২ বার সময় নেওয়ার পরও মামলার রহস্য উদ্ঘাটনে অগ্রগতি নেই—যা পরিবার, সহকর্মী এবং সাংবাদিক সমাজের মধ্যে নতুন করে হতাশা সৃষ্টি করেছে।
তদন্ত সংস্থা পিবিআই রোববার নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আদালত নতুন দিন রেখেছেন ৫ জানুয়ারি। মামলাটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আদালত, সাংবাদিক সংগঠন ও পরিবার বারবার প্রশ্ন তুলে আসছে—“এই বিলম্বের শেষ কোথায়?”
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নির্মমভাবে খুন হন দুই সাংবাদিক। ঘটনাটি দেশজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করলেও ১২ বছরের বেশি সময়েও তদন্তের কোনো নিশ্চিত অগ্রগতি নেই। শুরুতে থানার তদন্ত কর্মকর্তা, এরপর ডিবি—কেউই রহস্য উন্মোচন করতে পারেনি। এখন পিবিআইয়ের দীর্ঘ তদন্ত প্রক্রিয়াকে ঘিরে নতুন প্রশ্ন উঠছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই মামলার তদন্তে ধারাবাহিক ব্যর্থতা দেশের বিচারব্যবস্থা ও সাংবাদিক безопасности পরিবেশ সম্পর্কে নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। পরিবারও দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত খুনিদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করে আসছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০-১১-২০২৫ রাত ১১:৪৬
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আরও একবার পিছিয়েছে। ইতিমধ্যে ১২২ বার সময় নেওয়ার পরও মামলার রহস্য উদ্ঘাটনে অগ্রগতি নেই—যা পরিবার, সহকর্মী এবং সাংবাদিক সমাজের মধ্যে নতুন করে হতাশা সৃষ্টি করেছে।
তদন্ত সংস্থা পিবিআই রোববার নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আদালত নতুন দিন রেখেছেন ৫ জানুয়ারি। মামলাটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আদালত, সাংবাদিক সংগঠন ও পরিবার বারবার প্রশ্ন তুলে আসছে—“এই বিলম্বের শেষ কোথায়?”
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নির্মমভাবে খুন হন দুই সাংবাদিক। ঘটনাটি দেশজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করলেও ১২ বছরের বেশি সময়েও তদন্তের কোনো নিশ্চিত অগ্রগতি নেই। শুরুতে থানার তদন্ত কর্মকর্তা, এরপর ডিবি—কেউই রহস্য উন্মোচন করতে পারেনি। এখন পিবিআইয়ের দীর্ঘ তদন্ত প্রক্রিয়াকে ঘিরে নতুন প্রশ্ন উঠছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই মামলার তদন্তে ধারাবাহিক ব্যর্থতা দেশের বিচারব্যবস্থা ও সাংবাদিক безопасности পরিবেশ সম্পর্কে নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। পরিবারও দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত খুনিদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করে আসছে।