শিরোনামঃ
আন্তর্দেশীয় বিয়ের আড়ালে নারী পাচার, এখনই সতর্ক হতে হবে ময়মনসিংহে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভূমিকম্প বিকল্পে টেকসই জরুরি কমিউনিকেশন এক্সারসাইজ মহড়া অনুষ্ঠিত  কুমিল্লায় গৃহবধূ মরিয়ম বেগম হত্যায় শ্বশুর-শাশুড়ি ও দেবরের যাবজ্জীবন কক্সবাজারে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ৩১ ভরি স্বর্ণালংকারসহ দুইজন চোরাচালানকারীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব পদে ঠাকুরগাঁওয়ের আউয়াল আহমেদ পরীমণির গাড়ি বিতর্ক: ‘মাসরুর’ নামের বিভ্রান্তির মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক: প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে উগ্রবাদের পুনরুত্থান ও রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ একাত্তর নিয়ে নতুন বয়ান, পুরোনো প্রশ্নের উত্তর কোথায় এক ছাদের নিচে আরবের স্বাদ: বিয়ন্ড বুফেতে বিশেষ ফুড ফেস্টিভ্যাল

‘ভারত কঠিন কূটনৈতিক সংকটে’-শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুতে বিবিসির বিশ্লেষণ

#
news image

শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর তাঁর প্রত্যর্পণ ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারত “জটিল কূটনৈতিক অবস্থানে” পড়েছে বলে মন্তব্য করেছে বিবিসি। সোমবার প্রকাশিত বিশ্লেষণে প্রতিবেদক অন্বরাসন এথিরাজন লিখেছেন-এই রায় ভারতের জন্য “ট্রিকি সিচুয়েশন” তৈরি করেছে।

বিশ্লেষণে বলা হয়েছে- বাংলাদেশ এর আগেও আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়েছিল, তবে ভারত কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

দুই দেশের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি থাকলেও অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনে হলে ভারত তা অস্বীকার করার পূর্ণ আইনি অধিকার রাখে।

প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে শেখ হাসিনা দিল্লির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন-ফলে তাঁকে ফেরত পাঠাতে ভারতের রাজনৈতিক পরিসরও অনিচ্ছুক।

এথিরাজন লিখেছেন, “প্রত্যর্পণ অনুরোধ নাকচ করলে তা ঢাকার কাছে বিরূপ কূটনৈতিক সংকেত হবে। আবার অনুরোধ মেনে নেওয়া মানে ভারতের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্রকে উপেক্ষা করা। ফলে দিল্লিকে এখন অত্যন্ত সংবেদনশীল, ভারসাম্যপূর্ণ পথ বেছে নিতে হবে।”

বাংলাদেশ এদিন ভারতের কাছে পুনরায় অনুরোধ জানিয়েছে-বন্দিবিনিময় চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানকে ফেরত দিতে। তবে ভারতের বিবৃতিতে এই বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭-১১-২০২৫ রাত ১১:৫৭

news image

শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর তাঁর প্রত্যর্পণ ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারত “জটিল কূটনৈতিক অবস্থানে” পড়েছে বলে মন্তব্য করেছে বিবিসি। সোমবার প্রকাশিত বিশ্লেষণে প্রতিবেদক অন্বরাসন এথিরাজন লিখেছেন-এই রায় ভারতের জন্য “ট্রিকি সিচুয়েশন” তৈরি করেছে।

বিশ্লেষণে বলা হয়েছে- বাংলাদেশ এর আগেও আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়েছিল, তবে ভারত কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

দুই দেশের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি থাকলেও অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনে হলে ভারত তা অস্বীকার করার পূর্ণ আইনি অধিকার রাখে।

প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে শেখ হাসিনা দিল্লির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন-ফলে তাঁকে ফেরত পাঠাতে ভারতের রাজনৈতিক পরিসরও অনিচ্ছুক।

এথিরাজন লিখেছেন, “প্রত্যর্পণ অনুরোধ নাকচ করলে তা ঢাকার কাছে বিরূপ কূটনৈতিক সংকেত হবে। আবার অনুরোধ মেনে নেওয়া মানে ভারতের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্রকে উপেক্ষা করা। ফলে দিল্লিকে এখন অত্যন্ত সংবেদনশীল, ভারসাম্যপূর্ণ পথ বেছে নিতে হবে।”

বাংলাদেশ এদিন ভারতের কাছে পুনরায় অনুরোধ জানিয়েছে-বন্দিবিনিময় চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানকে ফেরত দিতে। তবে ভারতের বিবৃতিতে এই বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই।