শিরোনামঃ
বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির বাস্কেটবল কোর্ট পরিদর্শনে ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা মুগদায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাদকবিরোধী আলোচনা ও শপথ ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি: মৌলভীবাজারে গরিব, দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ  মিরপুরে প্রতিবন্ধী বেলু ও অসহায় শাহানার পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন দেশবাসীর কাছে দোয়া চায় বিড়ির শুল্ক বৃদ্ধি না করাসহ পাঁচ দাবিতে পাবনায় শ্রমিকদের মানববন্ধন জুয়ার আগুনে পুড়ছে জীবন, কার্যকর উদ্যোগ শূন্য মোতালেব প্লাজা দখলচেষ্টার অভিযোগ গণ অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বিধ্বস্ত রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বগুড়ায় সেলাই মেশিন বিতরণ

‘ভারত কঠিন কূটনৈতিক সংকটে’-শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুতে বিবিসির বিশ্লেষণ

#
news image

শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর তাঁর প্রত্যর্পণ ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারত “জটিল কূটনৈতিক অবস্থানে” পড়েছে বলে মন্তব্য করেছে বিবিসি। সোমবার প্রকাশিত বিশ্লেষণে প্রতিবেদক অন্বরাসন এথিরাজন লিখেছেন-এই রায় ভারতের জন্য “ট্রিকি সিচুয়েশন” তৈরি করেছে।

বিশ্লেষণে বলা হয়েছে- বাংলাদেশ এর আগেও আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়েছিল, তবে ভারত কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

দুই দেশের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি থাকলেও অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনে হলে ভারত তা অস্বীকার করার পূর্ণ আইনি অধিকার রাখে।

প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে শেখ হাসিনা দিল্লির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন-ফলে তাঁকে ফেরত পাঠাতে ভারতের রাজনৈতিক পরিসরও অনিচ্ছুক।

এথিরাজন লিখেছেন, “প্রত্যর্পণ অনুরোধ নাকচ করলে তা ঢাকার কাছে বিরূপ কূটনৈতিক সংকেত হবে। আবার অনুরোধ মেনে নেওয়া মানে ভারতের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্রকে উপেক্ষা করা। ফলে দিল্লিকে এখন অত্যন্ত সংবেদনশীল, ভারসাম্যপূর্ণ পথ বেছে নিতে হবে।”

বাংলাদেশ এদিন ভারতের কাছে পুনরায় অনুরোধ জানিয়েছে-বন্দিবিনিময় চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানকে ফেরত দিতে। তবে ভারতের বিবৃতিতে এই বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭-১১-২০২৫ রাত ১১:৫৭

news image

শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর তাঁর প্রত্যর্পণ ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারত “জটিল কূটনৈতিক অবস্থানে” পড়েছে বলে মন্তব্য করেছে বিবিসি। সোমবার প্রকাশিত বিশ্লেষণে প্রতিবেদক অন্বরাসন এথিরাজন লিখেছেন-এই রায় ভারতের জন্য “ট্রিকি সিচুয়েশন” তৈরি করেছে।

বিশ্লেষণে বলা হয়েছে- বাংলাদেশ এর আগেও আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়েছিল, তবে ভারত কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

দুই দেশের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি থাকলেও অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনে হলে ভারত তা অস্বীকার করার পূর্ণ আইনি অধিকার রাখে।

প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে শেখ হাসিনা দিল্লির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন-ফলে তাঁকে ফেরত পাঠাতে ভারতের রাজনৈতিক পরিসরও অনিচ্ছুক।

এথিরাজন লিখেছেন, “প্রত্যর্পণ অনুরোধ নাকচ করলে তা ঢাকার কাছে বিরূপ কূটনৈতিক সংকেত হবে। আবার অনুরোধ মেনে নেওয়া মানে ভারতের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্রকে উপেক্ষা করা। ফলে দিল্লিকে এখন অত্যন্ত সংবেদনশীল, ভারসাম্যপূর্ণ পথ বেছে নিতে হবে।”

বাংলাদেশ এদিন ভারতের কাছে পুনরায় অনুরোধ জানিয়েছে-বন্দিবিনিময় চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানকে ফেরত দিতে। তবে ভারতের বিবৃতিতে এই বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই।