শিরোনামঃ
বসুন্ধরা আইসিসিবির প্রিমিয়াম প্রাঙ্গণে জমজমাট ‘সুপার সেল কার বাজার’: শুক্রবার গাড়ি ও বাইক কেনাবেচার বিশাল মেলা পর্যটনপণ্য ও সেবা নিয়ে আইসিসিবিতে মেলা বসুন্ধরা আইসিসিবির প্রিমিয়াম প্রাঙ্গণে জমজমাট ‘সুপার সেল কার বাজার’: শুক্রবার গাড়ি ও বাইক কেনাবেচার বিশাল মেলা বিপিসির সাবেক কর্তাদের এজাজ-প্রতিষ্ঠানে যোগ, প্রশ্ন স্বার্থসংঘাত নিয়ে আইসিসিবির বিশাল আয়োজনে পর্যটনের নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলছে নির্বাচিত সরকারের আমলেও আসিফ মাহমুদকে ঘিরে তোলপাড় রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র: ব্যক্তিস্বার্থ নাকি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা? আইসিসিবিতে প্রতি শুক্রবার বসবে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিদ্যুৎ খাতের বিশৃঙ্খলা ও তীব্র লোডশেডিং: অন্তর্বর্তী সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের খেসারত

পর্যটনপণ্য ও সেবা নিয়ে আইসিসিবিতে মেলা

#
news image

রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) আজ বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী ১৩তম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার (এটিএফ)। বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠান এবারের মেলায় অংশ নিচ্ছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য মেলা উন্মুক্ত থাকবে।

দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করা এবং পর্যটনশিল্পের ব্যবসায়িক সম্ভাবনা সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের ১৩তম আসরের আয়োজন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মেলার বিভিন্ন আয়োজন ও অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্য জানান এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন হেলাল।

আয়োজকদের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত মেলার উদ্বোধন করবেন। অনুষ্ঠানে একই মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার ছাড়াও বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

আয়োজকেরা জানান, এবারের মেলায় বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের ২০০টির বেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। মেলায় প্রায় ৩০০টি বুথ থাকবে। এসব বুথে হোটেল, রিসোর্ট, ট্যুর অপারেটর, ট্রাভেল এজেন্ট, এয়ারলাইনস, সরকারি ও বেসরকারি পর্যটন প্রতিষ্ঠান, বিদেশি দূতাবাসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের পর্যটনপণ্য ও সেবা তুলে ধরবে।

মেলায় থাকছে ‘ডেস্টিনেশন বাংলাদেশ শোকেস’, ‘ইন্টারন্যাশনাল ট্যুরিজম শোকেস’ এবং ‘বাংলাদেশ ট্যুরিজম ইনভেস্টমেন্ট শোকেস’। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্য, আন্তর্জাতিক পর্যটন সম্ভাবনা এবং পর্যটন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরা হবে।

এ ছাড়া মেলায় ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়াতে বিটুবি (ব্যবসা-টু-ব্যবসা) সেশন, সেমিনার, ডেস্টিনেশন প্রেজেন্টেশন, প্যানেল আলোচনা, প্রোডাক্ট প্রমোশন ও নেটওয়ার্কিংয়ের আয়োজন রাখা হয়েছে।

মেলার তিন দিনই সন্ধ্যায় বাংলাদেশ, নেপাল ও ফিলিপাইনের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা থাকবে। আয়োজকদের আশা, এসব আয়োজনের মাধ্যমে পর্যটনসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বাড়ার পাশাপাশি দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্য ও সেবা আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।

অনলাইন ডেস্ক

১৭-৯-২০২৬ রাত ৮:৪৯

news image

রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) আজ বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী ১৩তম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার (এটিএফ)। বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠান এবারের মেলায় অংশ নিচ্ছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য মেলা উন্মুক্ত থাকবে।

দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করা এবং পর্যটনশিল্পের ব্যবসায়িক সম্ভাবনা সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের ১৩তম আসরের আয়োজন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মেলার বিভিন্ন আয়োজন ও অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্য জানান এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন হেলাল।

আয়োজকদের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত মেলার উদ্বোধন করবেন। অনুষ্ঠানে একই মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার ছাড়াও বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

আয়োজকেরা জানান, এবারের মেলায় বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের ২০০টির বেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। মেলায় প্রায় ৩০০টি বুথ থাকবে। এসব বুথে হোটেল, রিসোর্ট, ট্যুর অপারেটর, ট্রাভেল এজেন্ট, এয়ারলাইনস, সরকারি ও বেসরকারি পর্যটন প্রতিষ্ঠান, বিদেশি দূতাবাসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের পর্যটনপণ্য ও সেবা তুলে ধরবে।

মেলায় থাকছে ‘ডেস্টিনেশন বাংলাদেশ শোকেস’, ‘ইন্টারন্যাশনাল ট্যুরিজম শোকেস’ এবং ‘বাংলাদেশ ট্যুরিজম ইনভেস্টমেন্ট শোকেস’। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্য, আন্তর্জাতিক পর্যটন সম্ভাবনা এবং পর্যটন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরা হবে।

এ ছাড়া মেলায় ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়াতে বিটুবি (ব্যবসা-টু-ব্যবসা) সেশন, সেমিনার, ডেস্টিনেশন প্রেজেন্টেশন, প্যানেল আলোচনা, প্রোডাক্ট প্রমোশন ও নেটওয়ার্কিংয়ের আয়োজন রাখা হয়েছে।

মেলার তিন দিনই সন্ধ্যায় বাংলাদেশ, নেপাল ও ফিলিপাইনের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা থাকবে। আয়োজকদের আশা, এসব আয়োজনের মাধ্যমে পর্যটনসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বাড়ার পাশাপাশি দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্য ও সেবা আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।