শিরোনামঃ
জাতীয় স্মৃতিসৌধে তিন বাহিনী প্রধানের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন উপজেলায় নয়, এবার মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা। নরসিংদীর শিবপুরের ইউ এন ও‌ ময়লার ভাগাড়ে করলেন ফুল,ফল ও ঔষধি বাগান  । কক্সবাজারে উন্নয়ন ও পর্যটন শিল্প রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন টেকনাফে কোস্ট গার্ডের পৃথক অভিযানে ৫ কেজি আইস ও ৫ হাজার ইয়াবা জব্দ, আটক ১ আন্তর্দেশীয় বিয়ের আড়ালে নারী পাচার, এখনই সতর্ক হতে হবে ময়মনসিংহে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভূমিকম্প বিকল্পে টেকসই জরুরি কমিউনিকেশন এক্সারসাইজ মহড়া অনুষ্ঠিত  কুমিল্লায় গৃহবধূ মরিয়ম বেগম হত্যায় শ্বশুর-শাশুড়ি ও দেবরের যাবজ্জীবন কক্সবাজারে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ৩১ ভরি স্বর্ণালংকারসহ দুইজন চোরাচালানকারীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব পদে ঠাকুরগাঁওয়ের আউয়াল আহমেদ

মুক্তিযুদ্ধের অবস্থান স্পষ্ট করার দাবির মুখে জামায়াত

#
news image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের চার মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

দলটির ধারাবাহিক কর্মসূচি, সংসদে ভূমিকা এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

নির্বাচনের পর গত চার মাসে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট বিক্ষোভ, সমাবেশ ও প্রচারপত্র বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে। গত ১৬ মে রাজশাহী বিভাগ থেকে বিভাগীয় সমাবেশ শুরু হয়, যা আগামী ২৫ জুলাই শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। পরে ঢাকায় মহাসমাবেশ করারও পরিকল্পনা রয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের পর সংসদকে কার্যকর করার পরিবর্তে সরকারবিরোধী কর্মসূচির ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে দলটি। সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন পর্যন্ত বিভিন্ন সরকারি সিদ্ধান্তের সমালোচনা এবং একাধিকবার ওয়াকআউটের ঘটনাও ঘটেছে।

এদিকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের দাবি তুললেও সংশ্লিষ্ট কমিটিতে অংশ না নেওয়ায় দলটির অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সনদ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় অংশ না নেওয়া রাজনৈতিকভাবে পরস্পরবিরোধী অবস্থান হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এতে সংবিধান সংস্কার প্রক্রিয়াও জটিল হতে পারে বলে তারা মনে করছেন।

পর্যবেক্ষকরা অভিযোগ করছেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের কারণে জামায়াতকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে দলটির ভূমিকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক রয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিভিন্ন রায়েও এ বিষয়ে আলোচনা উঠে এসেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও মুক্তিযুদ্ধে নিজেদের ভূমিকা নিয়ে জামায়াতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ বা ক্ষমা চাওয়া হয়নি। তাদের মতে, এ বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান না নিলে দলটির প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা পুরোপুরি তৈরি হওয়া কঠিন হবে।
সাম্প্রতিক সময়ে প্রশাসন, বিচার বিভাগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে জামায়াত-সমর্থকদের প্রভাব বৃদ্ধির অভিযোগও উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে দলটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে অংশ নিতে হলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনার প্রতি সুস্পষ্ট অবস্থান নেওয়া সব রাজনৈতিক দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় অতীতের বিতর্ক ভবিষ্যতেও রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে থাকতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৯-৬-২০২৬ বিকাল ৬:৪৭

news image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের চার মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

দলটির ধারাবাহিক কর্মসূচি, সংসদে ভূমিকা এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

নির্বাচনের পর গত চার মাসে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট বিক্ষোভ, সমাবেশ ও প্রচারপত্র বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে। গত ১৬ মে রাজশাহী বিভাগ থেকে বিভাগীয় সমাবেশ শুরু হয়, যা আগামী ২৫ জুলাই শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। পরে ঢাকায় মহাসমাবেশ করারও পরিকল্পনা রয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের পর সংসদকে কার্যকর করার পরিবর্তে সরকারবিরোধী কর্মসূচির ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে দলটি। সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন পর্যন্ত বিভিন্ন সরকারি সিদ্ধান্তের সমালোচনা এবং একাধিকবার ওয়াকআউটের ঘটনাও ঘটেছে।

এদিকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের দাবি তুললেও সংশ্লিষ্ট কমিটিতে অংশ না নেওয়ায় দলটির অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সনদ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় অংশ না নেওয়া রাজনৈতিকভাবে পরস্পরবিরোধী অবস্থান হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এতে সংবিধান সংস্কার প্রক্রিয়াও জটিল হতে পারে বলে তারা মনে করছেন।

পর্যবেক্ষকরা অভিযোগ করছেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের কারণে জামায়াতকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে দলটির ভূমিকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক রয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিভিন্ন রায়েও এ বিষয়ে আলোচনা উঠে এসেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও মুক্তিযুদ্ধে নিজেদের ভূমিকা নিয়ে জামায়াতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ বা ক্ষমা চাওয়া হয়নি। তাদের মতে, এ বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান না নিলে দলটির প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা পুরোপুরি তৈরি হওয়া কঠিন হবে।
সাম্প্রতিক সময়ে প্রশাসন, বিচার বিভাগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে জামায়াত-সমর্থকদের প্রভাব বৃদ্ধির অভিযোগও উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে দলটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে অংশ নিতে হলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনার প্রতি সুস্পষ্ট অবস্থান নেওয়া সব রাজনৈতিক দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় অতীতের বিতর্ক ভবিষ্যতেও রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে থাকতে পারে।