শিরোনামঃ
বাংলাদেশ প্রতিদিনের নামে ভুয়া ফটোকার্ড ছড়ানোর অভিযোগ, ভাটারা থানায় জিডি মুক্তিযুদ্ধের অবস্থান স্পষ্ট করার দাবির মুখে জামায়াত ‘কোথায় দুর্নীতি হয়েছে, সব খুঁজে বের করতে হবে’ সততার মাশুল: সিন্ডিকেটের অপপ্রচারের মুখে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নাফরিজা শ্যামা ক্যাসিয়ার সাজ্জাদ দিন দিন বেপরোয়া মাসোহারার টাকায় বিলাসী জীবন  বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক স্বস্তি ফেরাতে প্রথম শর্ত আইনের শাসন ফুটবলপাগল বাংলাদেশ কেন বিশ্ব ফুটবলে এত পিছিয়ে? চিকিৎসা কষ্টে থাকা কাঙালিনী সুফিয়ার দায়িত্ব নিল আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন আবাসন খাতে বিনিয়োগ কমার শঙ্কা, ক্ষতির মুখে সংশ্লিষ্ট শিল্প শিল্প-সাহিত্যপ্রেমী আবদুস সাদেক: ফরিদুর রেজা সাগর

মুক্তিযুদ্ধের অবস্থান স্পষ্ট করার দাবির মুখে জামায়াত

#
news image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের চার মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

দলটির ধারাবাহিক কর্মসূচি, সংসদে ভূমিকা এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

নির্বাচনের পর গত চার মাসে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট বিক্ষোভ, সমাবেশ ও প্রচারপত্র বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে। গত ১৬ মে রাজশাহী বিভাগ থেকে বিভাগীয় সমাবেশ শুরু হয়, যা আগামী ২৫ জুলাই শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। পরে ঢাকায় মহাসমাবেশ করারও পরিকল্পনা রয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের পর সংসদকে কার্যকর করার পরিবর্তে সরকারবিরোধী কর্মসূচির ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে দলটি। সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন পর্যন্ত বিভিন্ন সরকারি সিদ্ধান্তের সমালোচনা এবং একাধিকবার ওয়াকআউটের ঘটনাও ঘটেছে।

এদিকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের দাবি তুললেও সংশ্লিষ্ট কমিটিতে অংশ না নেওয়ায় দলটির অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সনদ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় অংশ না নেওয়া রাজনৈতিকভাবে পরস্পরবিরোধী অবস্থান হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এতে সংবিধান সংস্কার প্রক্রিয়াও জটিল হতে পারে বলে তারা মনে করছেন।

পর্যবেক্ষকরা অভিযোগ করছেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের কারণে জামায়াতকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে দলটির ভূমিকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক রয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিভিন্ন রায়েও এ বিষয়ে আলোচনা উঠে এসেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও মুক্তিযুদ্ধে নিজেদের ভূমিকা নিয়ে জামায়াতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ বা ক্ষমা চাওয়া হয়নি। তাদের মতে, এ বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান না নিলে দলটির প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা পুরোপুরি তৈরি হওয়া কঠিন হবে।
সাম্প্রতিক সময়ে প্রশাসন, বিচার বিভাগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে জামায়াত-সমর্থকদের প্রভাব বৃদ্ধির অভিযোগও উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে দলটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে অংশ নিতে হলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনার প্রতি সুস্পষ্ট অবস্থান নেওয়া সব রাজনৈতিক দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় অতীতের বিতর্ক ভবিষ্যতেও রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে থাকতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৯-৬-২০২৬ বিকাল ৬:৪৭

news image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের চার মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

দলটির ধারাবাহিক কর্মসূচি, সংসদে ভূমিকা এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

নির্বাচনের পর গত চার মাসে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট বিক্ষোভ, সমাবেশ ও প্রচারপত্র বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে। গত ১৬ মে রাজশাহী বিভাগ থেকে বিভাগীয় সমাবেশ শুরু হয়, যা আগামী ২৫ জুলাই শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। পরে ঢাকায় মহাসমাবেশ করারও পরিকল্পনা রয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের পর সংসদকে কার্যকর করার পরিবর্তে সরকারবিরোধী কর্মসূচির ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে দলটি। সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন পর্যন্ত বিভিন্ন সরকারি সিদ্ধান্তের সমালোচনা এবং একাধিকবার ওয়াকআউটের ঘটনাও ঘটেছে।

এদিকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের দাবি তুললেও সংশ্লিষ্ট কমিটিতে অংশ না নেওয়ায় দলটির অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সনদ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় অংশ না নেওয়া রাজনৈতিকভাবে পরস্পরবিরোধী অবস্থান হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এতে সংবিধান সংস্কার প্রক্রিয়াও জটিল হতে পারে বলে তারা মনে করছেন।

পর্যবেক্ষকরা অভিযোগ করছেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের কারণে জামায়াতকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে দলটির ভূমিকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক রয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিভিন্ন রায়েও এ বিষয়ে আলোচনা উঠে এসেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও মুক্তিযুদ্ধে নিজেদের ভূমিকা নিয়ে জামায়াতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ বা ক্ষমা চাওয়া হয়নি। তাদের মতে, এ বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান না নিলে দলটির প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা পুরোপুরি তৈরি হওয়া কঠিন হবে।
সাম্প্রতিক সময়ে প্রশাসন, বিচার বিভাগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে জামায়াত-সমর্থকদের প্রভাব বৃদ্ধির অভিযোগও উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে দলটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে অংশ নিতে হলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনার প্রতি সুস্পষ্ট অবস্থান নেওয়া সব রাজনৈতিক দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় অতীতের বিতর্ক ভবিষ্যতেও রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে থাকতে পারে।