জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত পলিসি সামিটে ৩০ দেশের প্রতিনিধি

#
news image

জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত পলিসি সামিট-২০২৬ শুরু হয়েছে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে। এই সামিটে ৩০টি দেশের প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন।

জামায়াতের পররাষ্ট্র বিভাগের এক দায়িত্বশীল নেতা জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, কোরিয়া, ভারত, পাকিস্তান, ইরান, মালয়েশিয়া, তুরস্ক, মালদ্বীপ, ব্রুনাই, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশ থেকে প্রতিনিধিরা সকাল থেকেই সামিটে অংশ নিচ্ছেন।

সামিটের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, দেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন টিকে থাকা নয়, বরং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। এছাড়া আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে নতুন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক রূপরেখা তুলে ধরেন তিনি।

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস একটি দীর্ঘ ও অসমাপ্ত সংগ্রামের ইতিহাস। ১৯৪৭ সালে ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষা এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল সামাজিক ন্যায়বিচার ও অর্থনৈতিক মুক্তি। তবে পাঁচ দশকের বেশি সময় পার হলেও সেই প্রতিশ্রুতি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।

জামায়াত আমির উল্লেখ করেন, গত ১৭ বছরে শাসনব্যবস্থার ব্যর্থতা ও কর্তৃত্ববাদী চর্চার কারণে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়েছে, জবাবদিহি কমেছে এবং নাগরিকদের কণ্ঠস্বর সংকুচিত হয়েছে। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে জনগণ, বিশেষ করে তরুণরা নিজেদের অধিকার ও ভবিষ্যৎ পুনরুদ্ধারের দাবিতে পুনরায় আন্দোলনে নামেন। ডা. শফিকুর রহমান যোগ করেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের একটি অন্ধকার অধ্যায় পার করে আমরা এখন গণতান্ত্রিক রূপান্তরের গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে এখনো বড় বড় চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক 

২০-১-২০২৬ দুপুর ১১:৪৫

news image

জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত পলিসি সামিট-২০২৬ শুরু হয়েছে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে। এই সামিটে ৩০টি দেশের প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন।

জামায়াতের পররাষ্ট্র বিভাগের এক দায়িত্বশীল নেতা জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, কোরিয়া, ভারত, পাকিস্তান, ইরান, মালয়েশিয়া, তুরস্ক, মালদ্বীপ, ব্রুনাই, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশ থেকে প্রতিনিধিরা সকাল থেকেই সামিটে অংশ নিচ্ছেন।

সামিটের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, দেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন টিকে থাকা নয়, বরং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। এছাড়া আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে নতুন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক রূপরেখা তুলে ধরেন তিনি।

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস একটি দীর্ঘ ও অসমাপ্ত সংগ্রামের ইতিহাস। ১৯৪৭ সালে ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষা এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল সামাজিক ন্যায়বিচার ও অর্থনৈতিক মুক্তি। তবে পাঁচ দশকের বেশি সময় পার হলেও সেই প্রতিশ্রুতি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।

জামায়াত আমির উল্লেখ করেন, গত ১৭ বছরে শাসনব্যবস্থার ব্যর্থতা ও কর্তৃত্ববাদী চর্চার কারণে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়েছে, জবাবদিহি কমেছে এবং নাগরিকদের কণ্ঠস্বর সংকুচিত হয়েছে। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে জনগণ, বিশেষ করে তরুণরা নিজেদের অধিকার ও ভবিষ্যৎ পুনরুদ্ধারের দাবিতে পুনরায় আন্দোলনে নামেন। ডা. শফিকুর রহমান যোগ করেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের একটি অন্ধকার অধ্যায় পার করে আমরা এখন গণতান্ত্রিক রূপান্তরের গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে এখনো বড় বড় চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।