শিরোনামঃ
রাজপথের রাজনীতি নাকি গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতা? কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার সমাজকল্যাণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন নাগরিক টিভির হাবিবুর রহমান বাবু মুক্তিযুদ্ধের সত্যের মুখোমুখি রাজনীতি গণমাধ্যমকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রীয় ভর্তুকি দিতে হবে: তথ্যমন্ত্রী শুক্রবার শিল্পকলায় ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ এর ৪৪তম মঞ্চায়ন  পূর্ব পাকিস্তানের জমিন থেকে স্বাধীন বাংলাদেশ: রক্ত, সংগ্রাম ও গণতন্ত্রের পথচলা ইজতেমা সহিংসতা মামলার তদন্তে ধীরগতি, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি বন্যার দুর্যোগে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই সাংবাদিকতায় স্টার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন হাবিবুর রহমান বাবু মেটা-গুগলের ব্যবসা বাংলাদেশে, কিন্তু জবাবদিহিতা কোথায়?

কলকাতা ও শিলিগুড়িতে বিক্ষোভের জেরে শিলিগুড়ি ও আগরতলা ভিসা সেন্টার সাময়িক বন্ধ

#
news image

ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশন এবং শিলিগুড়িতে বাংলাদেশ ভিসা সেন্টারের সামনে একাধিক সংগঠনের বিক্ষোভের পর শিলিগুড়ি ও আগরতলার ভিসা সেন্টার সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
 
সোমবার সন্ধ্যায় কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন এবং আগরতলার সহকারী হাইকমিশনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তাঁরা জানান, নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
 
এর আগে দুপুর ও বিকেলে শিলিগুড়ি এবং কলকাতায় বিক্ষোভ চলাকালে বাংলাদেশের পতাকা সংবলিত ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলা হয় এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কুশপুত্তলিকায় আগুন দেওয়া হয়। শিলিগুড়িতে বাংলাদেশ ভিসা সেন্টার বন্ধ রাখার হুমকিও দেন বিক্ষোভকারীরা।
 
শিলিগুড়িতে ভিসা সেন্টারের সামনে উত্তেজনা
 
ময়মনসিংহে পোশাক শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাস হত্যার প্রতিবাদে সোমবার দুপুরে শিলিগুড়ির বাঘাযতীন পার্কে জড়ো হন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও হিন্দু জাগরণ মঞ্চের কর্মীরা। পরে তারা মিছিল নিয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে বাংলাদেশ ভিসা সেন্টারের সামনে অবস্থান নেন।
 
এ সময় ভিড়ের মধ্যে কয়েকজন বিক্ষোভকারী বাংলাদেশের পতাকা সংবলিত একটি ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলেন এবং সেই ফ্লেক্স ও প্রধান উপদেষ্টার কুশপুত্তলিকায় আগুন দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ভিসা সেন্টার ঘিরে রাখেন।
 
বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বী ও মন্দিরের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ভিসা সেন্টার বন্ধ রাখার হুমকি দেন। উল্লেখ্য, ওইদিন আগেই নিরাপত্তাজনিত কারণে শিলিগুড়ি ভিসা সেন্টার বন্ধ রাখা হয়েছিল।
 
কলকাতায় উপ-হাইকমিশনের সামনে তিন দফা বিক্ষোভ
 
একইদিন কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের সামনে তিন দফায় বিক্ষোভ হয়। প্রথমে ‘নাস্তিক মঞ্চ’ নামের একটি সংগঠনের কর্মীরা উপ-হাইকমিশন চত্বরে ঢোকার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। পরে তারা চত্বর থেকে কিছুটা দূরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে এবং স্মারকলিপি দিয়ে সরে যায়।
 
এরপর জাতীয় কংগ্রেসের কর্মীরা প্রায় এক ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভ করেন। পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল উপ-হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের ক্ষোভ জানায়।
 
সবশেষে বিজেপি ও পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ‘হিন্দু সনাতনীরা’ নামে পরিচিত একটি দল বিক্ষোভে অংশ নেয়। পুলিশ বাধা দিলে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। প্রায় এক ঘণ্টা বেকবাগান মোড়ে সড়ক অবরোধ করে রাখা হয় এবং কুশপুত্তলিকায় আগুন দেওয়া হয়।
 
অন্যান্য রাজ্যেও বিক্ষোভ
 
দিপু চন্দ্র দাস হত্যার প্রতিবাদে রোববার পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিল হয়। একই ইস্যুতে দিল্লি ও ত্রিপুরাতেও বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২২-১২-২০২৫ রাত ১১:৩৮

news image

ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশন এবং শিলিগুড়িতে বাংলাদেশ ভিসা সেন্টারের সামনে একাধিক সংগঠনের বিক্ষোভের পর শিলিগুড়ি ও আগরতলার ভিসা সেন্টার সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
 
সোমবার সন্ধ্যায় কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন এবং আগরতলার সহকারী হাইকমিশনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তাঁরা জানান, নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
 
এর আগে দুপুর ও বিকেলে শিলিগুড়ি এবং কলকাতায় বিক্ষোভ চলাকালে বাংলাদেশের পতাকা সংবলিত ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলা হয় এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কুশপুত্তলিকায় আগুন দেওয়া হয়। শিলিগুড়িতে বাংলাদেশ ভিসা সেন্টার বন্ধ রাখার হুমকিও দেন বিক্ষোভকারীরা।
 
শিলিগুড়িতে ভিসা সেন্টারের সামনে উত্তেজনা
 
ময়মনসিংহে পোশাক শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাস হত্যার প্রতিবাদে সোমবার দুপুরে শিলিগুড়ির বাঘাযতীন পার্কে জড়ো হন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও হিন্দু জাগরণ মঞ্চের কর্মীরা। পরে তারা মিছিল নিয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে বাংলাদেশ ভিসা সেন্টারের সামনে অবস্থান নেন।
 
এ সময় ভিড়ের মধ্যে কয়েকজন বিক্ষোভকারী বাংলাদেশের পতাকা সংবলিত একটি ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলেন এবং সেই ফ্লেক্স ও প্রধান উপদেষ্টার কুশপুত্তলিকায় আগুন দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ভিসা সেন্টার ঘিরে রাখেন।
 
বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বী ও মন্দিরের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ভিসা সেন্টার বন্ধ রাখার হুমকি দেন। উল্লেখ্য, ওইদিন আগেই নিরাপত্তাজনিত কারণে শিলিগুড়ি ভিসা সেন্টার বন্ধ রাখা হয়েছিল।
 
কলকাতায় উপ-হাইকমিশনের সামনে তিন দফা বিক্ষোভ
 
একইদিন কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের সামনে তিন দফায় বিক্ষোভ হয়। প্রথমে ‘নাস্তিক মঞ্চ’ নামের একটি সংগঠনের কর্মীরা উপ-হাইকমিশন চত্বরে ঢোকার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। পরে তারা চত্বর থেকে কিছুটা দূরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে এবং স্মারকলিপি দিয়ে সরে যায়।
 
এরপর জাতীয় কংগ্রেসের কর্মীরা প্রায় এক ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভ করেন। পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল উপ-হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের ক্ষোভ জানায়।
 
সবশেষে বিজেপি ও পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ‘হিন্দু সনাতনীরা’ নামে পরিচিত একটি দল বিক্ষোভে অংশ নেয়। পুলিশ বাধা দিলে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। প্রায় এক ঘণ্টা বেকবাগান মোড়ে সড়ক অবরোধ করে রাখা হয় এবং কুশপুত্তলিকায় আগুন দেওয়া হয়।
 
অন্যান্য রাজ্যেও বিক্ষোভ
 
দিপু চন্দ্র দাস হত্যার প্রতিবাদে রোববার পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিল হয়। একই ইস্যুতে দিল্লি ও ত্রিপুরাতেও বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে।