শিরোনামঃ
বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির বাস্কেটবল কোর্ট পরিদর্শনে ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা মুগদায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাদকবিরোধী আলোচনা ও শপথ ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি: মৌলভীবাজারে গরিব, দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ  মিরপুরে প্রতিবন্ধী বেলু ও অসহায় শাহানার পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন দেশবাসীর কাছে দোয়া চায় বিড়ির শুল্ক বৃদ্ধি না করাসহ পাঁচ দাবিতে পাবনায় শ্রমিকদের মানববন্ধন জুয়ার আগুনে পুড়ছে জীবন, কার্যকর উদ্যোগ শূন্য মোতালেব প্লাজা দখলচেষ্টার অভিযোগ গণ অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বিধ্বস্ত রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বগুড়ায় সেলাই মেশিন বিতরণ

সু চি 'সুস্থ' আছেন দাবি জান্তার, প্রমাণ চাইলেন ছেলে কিম আরিস

#
news image

মিয়ানমারের কারাবন্দী গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চি সুস্থ আছেন বলে দাবি করেছে দেশটির সামরিক জান্তা সরকার। সু চির ছেলে কিম আরিস তাঁর মায়ের জীবন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করার পর জান্তা সরকারের পক্ষ থেকে এই বিবৃতি দেওয়া হলো। তবে জান্তার এই দাবিকে ‘ভিত্তিহীন’ উল্লেখ করে প্রমাণ চেয়েছেন আরিস।

জান্তার দাবি ও ছেলের উদ্বেগ
সম্প্রতি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কিম আরিস আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, তাঁর মা হয়তো আর বেঁচে নেই। তিনি বলেন, "মায়ের কোনো খবর পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি হয়তো মারা গেছেন, কিংবা মারা গেলেও হয়তো সেই খবর কোনোদিন জানতে পারব না।"

ছেলের এই বক্তব্যের পর মঙ্গলবার সামরিক সরকার নিয়ন্ত্রিত 'মিয়ানমার ডিজিটাল নিউজ'-এ একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সেখানে দাবি করা হয়, সু চি ভালো আছেন। বিবৃতিতে সু চির নামের আগে সম্মানসূচক উপাধিও ব্যবহার করেছে জান্তা কর্তৃপক্ষ।

'সুস্থ থাকলে প্রমাণ দিন'
জান্তা সরকারের এই বিবৃতির প্রতিক্রিয়ায় বুধবার রয়টার্সকে কিম আরিস বলেন, "সামরিক বাহিনী কেবল মৌখিক দাবি করছে, কিন্তু কোনো প্রমাণ দিচ্ছে না। মায়ের সাম্প্রতিক কোনো ছবি নেই; পরিবার, চিকিৎসক বা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদেরও তাঁর কাছে যাওয়ার কোনো অনুমতি নেই।" তিনি সাফ জানিয়ে দেন, যদি তাঁর মা সত্যিই সুস্থ থাকেন, তবে জান্তা সরকারকে সেটির প্রমাণ দেখাতে হবে।

সু চির শারীরিক অবস্থা ও বন্দিজীবন
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই অং সান সু চি নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ১৯টি অভিযোগে ২৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গত এক বছর ধরে তাঁর আইনজীবীরাও তাঁর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাননি।

এর আগে কিম আরিস জানিয়েছিলেন, ৭৯ বছর বয়সী সু চি দীর্ঘদিন ধরে দাঁত ও হাড়ের সমস্যায় ভুগছেন। এমনকি গত সেপ্টেম্বর মাসে তাঁর জরুরি চিকিৎসা ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ দেখানোর প্রয়োজন থাকলেও জান্তা সরকার তাতে সাড়া দেয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, জান্তা সরকারের মুখপাত্রের কাছে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। ফলে শান্তিতে নোবেলজয়ী এই নেত্রীর প্রকৃত অবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বেড়েই চলেছে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৭-১২-২০২৫ বিকাল ৭:৩৬

news image

মিয়ানমারের কারাবন্দী গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চি সুস্থ আছেন বলে দাবি করেছে দেশটির সামরিক জান্তা সরকার। সু চির ছেলে কিম আরিস তাঁর মায়ের জীবন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করার পর জান্তা সরকারের পক্ষ থেকে এই বিবৃতি দেওয়া হলো। তবে জান্তার এই দাবিকে ‘ভিত্তিহীন’ উল্লেখ করে প্রমাণ চেয়েছেন আরিস।

জান্তার দাবি ও ছেলের উদ্বেগ
সম্প্রতি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কিম আরিস আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, তাঁর মা হয়তো আর বেঁচে নেই। তিনি বলেন, "মায়ের কোনো খবর পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি হয়তো মারা গেছেন, কিংবা মারা গেলেও হয়তো সেই খবর কোনোদিন জানতে পারব না।"

ছেলের এই বক্তব্যের পর মঙ্গলবার সামরিক সরকার নিয়ন্ত্রিত 'মিয়ানমার ডিজিটাল নিউজ'-এ একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সেখানে দাবি করা হয়, সু চি ভালো আছেন। বিবৃতিতে সু চির নামের আগে সম্মানসূচক উপাধিও ব্যবহার করেছে জান্তা কর্তৃপক্ষ।

'সুস্থ থাকলে প্রমাণ দিন'
জান্তা সরকারের এই বিবৃতির প্রতিক্রিয়ায় বুধবার রয়টার্সকে কিম আরিস বলেন, "সামরিক বাহিনী কেবল মৌখিক দাবি করছে, কিন্তু কোনো প্রমাণ দিচ্ছে না। মায়ের সাম্প্রতিক কোনো ছবি নেই; পরিবার, চিকিৎসক বা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদেরও তাঁর কাছে যাওয়ার কোনো অনুমতি নেই।" তিনি সাফ জানিয়ে দেন, যদি তাঁর মা সত্যিই সুস্থ থাকেন, তবে জান্তা সরকারকে সেটির প্রমাণ দেখাতে হবে।

সু চির শারীরিক অবস্থা ও বন্দিজীবন
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই অং সান সু চি নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ১৯টি অভিযোগে ২৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গত এক বছর ধরে তাঁর আইনজীবীরাও তাঁর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাননি।

এর আগে কিম আরিস জানিয়েছিলেন, ৭৯ বছর বয়সী সু চি দীর্ঘদিন ধরে দাঁত ও হাড়ের সমস্যায় ভুগছেন। এমনকি গত সেপ্টেম্বর মাসে তাঁর জরুরি চিকিৎসা ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ দেখানোর প্রয়োজন থাকলেও জান্তা সরকার তাতে সাড়া দেয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, জান্তা সরকারের মুখপাত্রের কাছে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। ফলে শান্তিতে নোবেলজয়ী এই নেত্রীর প্রকৃত অবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বেড়েই চলেছে।