শিরোনামঃ
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচ দিয়ে নতুন সম্ভাবনার পথে আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়াম ক্রীড়াঙ্গনে পরিবর্তনের মশাল জ্বালিয়েছে এবিজি স্পোর্টস সিটি চিকিৎসাসেবা থেকে শিক্ষা সহায়তা: জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৭ বছর বসুন্ধরা গ্রুপের উপহারে ১০০ নারীর হাতে স্বাবলম্বিতার হাতিয়ার গাড়ির বাজার ও দুই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে মুখর আইসিসিবি তামাকজনিত মৃত্যু কমাতে সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধিমালা দ্রুত প্রণয়নের আহ্বান  দেবী দুর্গার মহিমা ও নারীশক্তির বন্দনায় প্রকাশিত ‘মহাদুর্গা’ মেরিটাইম প্রদর্শনী আর গাড়ির বাজারে সরগরম রাজধানীর আইসিসিবি চীনের গুয়াংসি ইউফেংয়ের সঙ্গে বসুন্ধরা গ্রুপের চুক্তি  মামলা প্রত্যাহারে আগে সম্মতি, ব্যাংকের ক্ষেত্রে নেই সেই নিশ্চয়তা

সু চি 'সুস্থ' আছেন দাবি জান্তার, প্রমাণ চাইলেন ছেলে কিম আরিস

#
news image

মিয়ানমারের কারাবন্দী গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চি সুস্থ আছেন বলে দাবি করেছে দেশটির সামরিক জান্তা সরকার। সু চির ছেলে কিম আরিস তাঁর মায়ের জীবন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করার পর জান্তা সরকারের পক্ষ থেকে এই বিবৃতি দেওয়া হলো। তবে জান্তার এই দাবিকে ‘ভিত্তিহীন’ উল্লেখ করে প্রমাণ চেয়েছেন আরিস।

জান্তার দাবি ও ছেলের উদ্বেগ
সম্প্রতি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কিম আরিস আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, তাঁর মা হয়তো আর বেঁচে নেই। তিনি বলেন, "মায়ের কোনো খবর পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি হয়তো মারা গেছেন, কিংবা মারা গেলেও হয়তো সেই খবর কোনোদিন জানতে পারব না।"

ছেলের এই বক্তব্যের পর মঙ্গলবার সামরিক সরকার নিয়ন্ত্রিত 'মিয়ানমার ডিজিটাল নিউজ'-এ একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সেখানে দাবি করা হয়, সু চি ভালো আছেন। বিবৃতিতে সু চির নামের আগে সম্মানসূচক উপাধিও ব্যবহার করেছে জান্তা কর্তৃপক্ষ।

'সুস্থ থাকলে প্রমাণ দিন'
জান্তা সরকারের এই বিবৃতির প্রতিক্রিয়ায় বুধবার রয়টার্সকে কিম আরিস বলেন, "সামরিক বাহিনী কেবল মৌখিক দাবি করছে, কিন্তু কোনো প্রমাণ দিচ্ছে না। মায়ের সাম্প্রতিক কোনো ছবি নেই; পরিবার, চিকিৎসক বা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদেরও তাঁর কাছে যাওয়ার কোনো অনুমতি নেই।" তিনি সাফ জানিয়ে দেন, যদি তাঁর মা সত্যিই সুস্থ থাকেন, তবে জান্তা সরকারকে সেটির প্রমাণ দেখাতে হবে।

সু চির শারীরিক অবস্থা ও বন্দিজীবন
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই অং সান সু চি নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ১৯টি অভিযোগে ২৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গত এক বছর ধরে তাঁর আইনজীবীরাও তাঁর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাননি।

এর আগে কিম আরিস জানিয়েছিলেন, ৭৯ বছর বয়সী সু চি দীর্ঘদিন ধরে দাঁত ও হাড়ের সমস্যায় ভুগছেন। এমনকি গত সেপ্টেম্বর মাসে তাঁর জরুরি চিকিৎসা ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ দেখানোর প্রয়োজন থাকলেও জান্তা সরকার তাতে সাড়া দেয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, জান্তা সরকারের মুখপাত্রের কাছে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। ফলে শান্তিতে নোবেলজয়ী এই নেত্রীর প্রকৃত অবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বেড়েই চলেছে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৭-১২-২০২৫ বিকাল ৭:৩৬

news image

মিয়ানমারের কারাবন্দী গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চি সুস্থ আছেন বলে দাবি করেছে দেশটির সামরিক জান্তা সরকার। সু চির ছেলে কিম আরিস তাঁর মায়ের জীবন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করার পর জান্তা সরকারের পক্ষ থেকে এই বিবৃতি দেওয়া হলো। তবে জান্তার এই দাবিকে ‘ভিত্তিহীন’ উল্লেখ করে প্রমাণ চেয়েছেন আরিস।

জান্তার দাবি ও ছেলের উদ্বেগ
সম্প্রতি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কিম আরিস আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, তাঁর মা হয়তো আর বেঁচে নেই। তিনি বলেন, "মায়ের কোনো খবর পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি হয়তো মারা গেছেন, কিংবা মারা গেলেও হয়তো সেই খবর কোনোদিন জানতে পারব না।"

ছেলের এই বক্তব্যের পর মঙ্গলবার সামরিক সরকার নিয়ন্ত্রিত 'মিয়ানমার ডিজিটাল নিউজ'-এ একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সেখানে দাবি করা হয়, সু চি ভালো আছেন। বিবৃতিতে সু চির নামের আগে সম্মানসূচক উপাধিও ব্যবহার করেছে জান্তা কর্তৃপক্ষ।

'সুস্থ থাকলে প্রমাণ দিন'
জান্তা সরকারের এই বিবৃতির প্রতিক্রিয়ায় বুধবার রয়টার্সকে কিম আরিস বলেন, "সামরিক বাহিনী কেবল মৌখিক দাবি করছে, কিন্তু কোনো প্রমাণ দিচ্ছে না। মায়ের সাম্প্রতিক কোনো ছবি নেই; পরিবার, চিকিৎসক বা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদেরও তাঁর কাছে যাওয়ার কোনো অনুমতি নেই।" তিনি সাফ জানিয়ে দেন, যদি তাঁর মা সত্যিই সুস্থ থাকেন, তবে জান্তা সরকারকে সেটির প্রমাণ দেখাতে হবে।

সু চির শারীরিক অবস্থা ও বন্দিজীবন
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই অং সান সু চি নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ১৯টি অভিযোগে ২৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গত এক বছর ধরে তাঁর আইনজীবীরাও তাঁর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাননি।

এর আগে কিম আরিস জানিয়েছিলেন, ৭৯ বছর বয়সী সু চি দীর্ঘদিন ধরে দাঁত ও হাড়ের সমস্যায় ভুগছেন। এমনকি গত সেপ্টেম্বর মাসে তাঁর জরুরি চিকিৎসা ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ দেখানোর প্রয়োজন থাকলেও জান্তা সরকার তাতে সাড়া দেয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, জান্তা সরকারের মুখপাত্রের কাছে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। ফলে শান্তিতে নোবেলজয়ী এই নেত্রীর প্রকৃত অবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বেড়েই চলেছে।