শিরোনামঃ
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচ দিয়ে নতুন সম্ভাবনার পথে আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়াম ক্রীড়াঙ্গনে পরিবর্তনের মশাল জ্বালিয়েছে এবিজি স্পোর্টস সিটি চিকিৎসাসেবা থেকে শিক্ষা সহায়তা: জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৭ বছর বসুন্ধরা গ্রুপের উপহারে ১০০ নারীর হাতে স্বাবলম্বিতার হাতিয়ার গাড়ির বাজার ও দুই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে মুখর আইসিসিবি তামাকজনিত মৃত্যু কমাতে সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধিমালা দ্রুত প্রণয়নের আহ্বান  দেবী দুর্গার মহিমা ও নারীশক্তির বন্দনায় প্রকাশিত ‘মহাদুর্গা’ মেরিটাইম প্রদর্শনী আর গাড়ির বাজারে সরগরম রাজধানীর আইসিসিবি চীনের গুয়াংসি ইউফেংয়ের সঙ্গে বসুন্ধরা গ্রুপের চুক্তি  মামলা প্রত্যাহারে আগে সম্মতি, ব্যাংকের ক্ষেত্রে নেই সেই নিশ্চয়তা

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জে প্রস্তুতি—অর্ডন্যান্স কোর সম্মেলনে সেনাপ্রধানের বার্তা

#
news image

গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত আর্মি অর্ডন্যান্স কোরের ৪৫তম বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলন এবার শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়; ছিল ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা কৌশলের দিকনির্দেশনাও। সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সম্মেলনে যে বার্তা দিয়েছেন, তা স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত করছে—বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধের যুগে নিজেদের আরও আধুনিক করতে চায়।

সেনাপ্রধান অর্ডন্যান্স কোরকে শুধু সরঞ্জাম সরবরাহকারী ইউনিট হিসেবে নয়, বরং ভবিষ্যৎ সামরিক সক্ষমতার অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে দেখার আহ্বান জানান। তিনি আধুনিক প্রশিক্ষণ, গবেষণা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা—বিশেষ করে স্মার্ট লজিস্টিকস, ইন্টেলিজেন্ট ওয়্যারহাউজিং এবং নতুন জেনারেশনের যুদ্ধ সরঞ্জাম ব্যবস্থাপনা—এসব বিষয়ে কর্মকর্তাদের মনোযোগী হওয়ার নির্দেশ দেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অর্ডন্যান্স কোরের এমন উন্নয়ন পরিকল্পনা সেনাবাহিনীর সামগ্রিক অপারেশনাল রেডিনেসকে আরও শক্তিশালী করবে। কারণ যুদ্ধের দিন বদলেছে—সরঞ্জাম সরবরাহ ও রক্ষণাবেক্ষণ এখন আর শুধু প্রশাসনিক কাজ নয়; এটি হয়ে উঠেছে কৌশলগত দক্ষতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আর্টডক ও লজিস্টিকস এরিয়ার জিওসি, বিওএফ কমান্ড্যান্টসহ সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এসব উপস্থিতি প্রমাণ করে—সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পর্যায় এই কোরকে আরও আধুনিক, দক্ষ ও ভবিষ্যৎসম্মত করতে একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।

তানভীর সানি

১৬-১১-২০২৫ রাত ১১:১২

news image

গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত আর্মি অর্ডন্যান্স কোরের ৪৫তম বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলন এবার শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়; ছিল ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা কৌশলের দিকনির্দেশনাও। সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সম্মেলনে যে বার্তা দিয়েছেন, তা স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত করছে—বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধের যুগে নিজেদের আরও আধুনিক করতে চায়।

সেনাপ্রধান অর্ডন্যান্স কোরকে শুধু সরঞ্জাম সরবরাহকারী ইউনিট হিসেবে নয়, বরং ভবিষ্যৎ সামরিক সক্ষমতার অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে দেখার আহ্বান জানান। তিনি আধুনিক প্রশিক্ষণ, গবেষণা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা—বিশেষ করে স্মার্ট লজিস্টিকস, ইন্টেলিজেন্ট ওয়্যারহাউজিং এবং নতুন জেনারেশনের যুদ্ধ সরঞ্জাম ব্যবস্থাপনা—এসব বিষয়ে কর্মকর্তাদের মনোযোগী হওয়ার নির্দেশ দেন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অর্ডন্যান্স কোরের এমন উন্নয়ন পরিকল্পনা সেনাবাহিনীর সামগ্রিক অপারেশনাল রেডিনেসকে আরও শক্তিশালী করবে। কারণ যুদ্ধের দিন বদলেছে—সরঞ্জাম সরবরাহ ও রক্ষণাবেক্ষণ এখন আর শুধু প্রশাসনিক কাজ নয়; এটি হয়ে উঠেছে কৌশলগত দক্ষতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আর্টডক ও লজিস্টিকস এরিয়ার জিওসি, বিওএফ কমান্ড্যান্টসহ সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এসব উপস্থিতি প্রমাণ করে—সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পর্যায় এই কোরকে আরও আধুনিক, দক্ষ ও ভবিষ্যৎসম্মত করতে একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।