শিরোনামঃ
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচ দিয়ে নতুন সম্ভাবনার পথে আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়াম ক্রীড়াঙ্গনে পরিবর্তনের মশাল জ্বালিয়েছে এবিজি স্পোর্টস সিটি চিকিৎসাসেবা থেকে শিক্ষা সহায়তা: জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৭ বছর বসুন্ধরা গ্রুপের উপহারে ১০০ নারীর হাতে স্বাবলম্বিতার হাতিয়ার গাড়ির বাজার ও দুই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে মুখর আইসিসিবি তামাকজনিত মৃত্যু কমাতে সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধিমালা দ্রুত প্রণয়নের আহ্বান  দেবী দুর্গার মহিমা ও নারীশক্তির বন্দনায় প্রকাশিত ‘মহাদুর্গা’ মেরিটাইম প্রদর্শনী আর গাড়ির বাজারে সরগরম রাজধানীর আইসিসিবি চীনের গুয়াংসি ইউফেংয়ের সঙ্গে বসুন্ধরা গ্রুপের চুক্তি  মামলা প্রত্যাহারে আগে সম্মতি, ব্যাংকের ক্ষেত্রে নেই সেই নিশ্চয়তা

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ‘লকডাউন’ ডাক: রাজনৈতিক বার্তা না উসকানি?

#
news image

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে কার্যক্রম-নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘোষিত ১৩ নভেম্বরের ‘লকডাউন’ কর্মসূচি। সরকার ও নির্বাচন-পরবর্তী ক্ষমতার বলয়ের বাইরে থাকা এই দলের পক্ষ থেকে হঠাৎ ঘোষিত কর্মসূচি নিয়ে প্রশাসনে নড়চড় শুরু হয়েছে।

রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জরুরি বৈঠক- যেটি হওয়ার কথা ছিল মঙ্গলবার- হঠাৎ আগাম ডাকা হয়। বৈঠকে ঢাকার নিরাপত্তা জোরদার, চেকপোস্ট বসানো এবং মাঠে সেনাবাহিনী রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই তৎপরতা মূলত এক “প্রতিরোধমূলক বার্তা”- যে কোনো দল, সংগঠন বা নিষিদ্ধ রাজনৈতিক শক্তির আন্দোলন রাজপথে ছড়ানোর আগেই দমন করা হবে।

বৈঠকে বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের কিছু মধ্যম সারির নেতার অনলাইন কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হয়। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর আশঙ্কা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারের সঙ্গে মাঠ পর্যায়ে কিছু সংগঠিত তৎপরতা মিলতে পারে।

রাজনৈতিক মহল বলছে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একদিকে সরকারের দৃঢ় অবস্থান স্পষ্ট, অন্যদিকে প্রশ্ন উঠছে- ‘নিষিদ্ধ দলের রাজনীতি কি নতুন রূপে ফিরে আসছে?’

বিশেষ প্রতিনিধি

৯-১১-২০২৫ রাত ১১:৫৬

news image

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে কার্যক্রম-নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘোষিত ১৩ নভেম্বরের ‘লকডাউন’ কর্মসূচি। সরকার ও নির্বাচন-পরবর্তী ক্ষমতার বলয়ের বাইরে থাকা এই দলের পক্ষ থেকে হঠাৎ ঘোষিত কর্মসূচি নিয়ে প্রশাসনে নড়চড় শুরু হয়েছে।

রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জরুরি বৈঠক- যেটি হওয়ার কথা ছিল মঙ্গলবার- হঠাৎ আগাম ডাকা হয়। বৈঠকে ঢাকার নিরাপত্তা জোরদার, চেকপোস্ট বসানো এবং মাঠে সেনাবাহিনী রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই তৎপরতা মূলত এক “প্রতিরোধমূলক বার্তা”- যে কোনো দল, সংগঠন বা নিষিদ্ধ রাজনৈতিক শক্তির আন্দোলন রাজপথে ছড়ানোর আগেই দমন করা হবে।

বৈঠকে বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের কিছু মধ্যম সারির নেতার অনলাইন কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হয়। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর আশঙ্কা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারের সঙ্গে মাঠ পর্যায়ে কিছু সংগঠিত তৎপরতা মিলতে পারে।

রাজনৈতিক মহল বলছে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একদিকে সরকারের দৃঢ় অবস্থান স্পষ্ট, অন্যদিকে প্রশ্ন উঠছে- ‘নিষিদ্ধ দলের রাজনীতি কি নতুন রূপে ফিরে আসছে?’