শিরোনামঃ
রাজপথের রাজনীতি নাকি গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতা? কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকার সমাজকল্যাণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন নাগরিক টিভির হাবিবুর রহমান বাবু মুক্তিযুদ্ধের সত্যের মুখোমুখি রাজনীতি গণমাধ্যমকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রীয় ভর্তুকি দিতে হবে: তথ্যমন্ত্রী শুক্রবার শিল্পকলায় ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ এর ৪৪তম মঞ্চায়ন  পূর্ব পাকিস্তানের জমিন থেকে স্বাধীন বাংলাদেশ: রক্ত, সংগ্রাম ও গণতন্ত্রের পথচলা ইজতেমা সহিংসতা মামলার তদন্তে ধীরগতি, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি বন্যার দুর্যোগে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই সাংবাদিকতায় স্টার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন হাবিবুর রহমান বাবু মেটা-গুগলের ব্যবসা বাংলাদেশে, কিন্তু জবাবদিহিতা কোথায়?

ফ্রেন্ডশিপ প্রজেক্টের কোর্স সমাপনী ও সনদ বিতরণ

#
news image

বসুন্ধরা ল্যাঙ্গুয়েজ  অ্যান্ড স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (বিএলএসডিসি) পরিচালিত এবং ফ্রেন্ডশিপ প্রজেক্টের উদ্যোগে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ করা হয়েছে।

রবিবার (১২ জানুয়ারি) বসুন্ধরা ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার বিএলএসডিসির মাল্টিপারপাস হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের ইনচার্জ মেজর মো. গোলাম হায়দারের (অব.) সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর, এডুকেশন প্রগ্রাম, ফ্রেন্ডশিপ প্রজেক্ট রেজা আহমেদ।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী শাহিন আলম বলেন, ‘বসুন্ধরা ও ফ্রেন্ডশিপকে  ধন্যবাদ জানাই। আমাদের মতো অজপাড়া গায়ের সন্তানদের তারা নিজ খরচে কাজ শিখিয়ে আজ সার্টিফিকেট প্রদান করছেন। আমি এখানে তিন মাস ইলেকট্রনিকসের কাজ শিখেছি। এখন আমি এই সার্টিফিকেট ও মেধা কাজে লাগিয়ে চলতে পারব।’ মো. রাসেল নামের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি তিন মাসে ফ্রিজের কাজ শিখেছি। এখানকার শিক্ষকরা আমাদের হাতেকলমে কাজ শিখিয়েছেন। এখন আমাকে একটি ফ্রিজ সম্পূর্ণ খুলে দিলে তা ঠিক করে ফেলব। আমি এ জন্য ধন্যবাদ জানাই বসুন্ধরা গ্রুপকে।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেজা আহমেদ বলেন, বসুন্ধরা গ্রুপ ও ফ্রেন্ডশিপের যৌথ উদ্যোগে এই প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। তিনি প্রশিক্ষণের গুণগত মানের প্রশংসা করেন এবং এর মাধ্যমে তরুণদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা প্রকাশ করেন। প্রধান অতিথি বলেন, বসুন্ধরার এ প্রশিক্ষণ সেন্টার থেকে কী শিখলে এবং কী করছো, সেটা দেখে তোমাদের পরিবারের ও সমাজের অন্যরাও কাজে লাগাবে। শুধু স্কিল ডেভেলপমেন্ট করলে হবে না, সেটাকে ইতিবাচক কাজে লাগাতে হবে। আমরা তোমাদের ভালো শিক্ষার্থী নয়, সুনাগরিক ও ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।

আরো বক্তব্য দেন মো. অলিভ হুসাইন (অলিভ) ফ্রেন্ডশিপ প্রজেক্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার, এডুকেশন ফ্রেন্ডশিপ, শিক্ষার্থী মো. শাহিন আলম ও মো. শাকিল মিয়া।

বিজ্ঞপ্তি

১৪-১-২০২৫ রাত ১:১

news image

বসুন্ধরা ল্যাঙ্গুয়েজ  অ্যান্ড স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (বিএলএসডিসি) পরিচালিত এবং ফ্রেন্ডশিপ প্রজেক্টের উদ্যোগে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ করা হয়েছে।

রবিবার (১২ জানুয়ারি) বসুন্ধরা ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার বিএলএসডিসির মাল্টিপারপাস হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের ইনচার্জ মেজর মো. গোলাম হায়দারের (অব.) সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর, এডুকেশন প্রগ্রাম, ফ্রেন্ডশিপ প্রজেক্ট রেজা আহমেদ।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী শাহিন আলম বলেন, ‘বসুন্ধরা ও ফ্রেন্ডশিপকে  ধন্যবাদ জানাই। আমাদের মতো অজপাড়া গায়ের সন্তানদের তারা নিজ খরচে কাজ শিখিয়ে আজ সার্টিফিকেট প্রদান করছেন। আমি এখানে তিন মাস ইলেকট্রনিকসের কাজ শিখেছি। এখন আমি এই সার্টিফিকেট ও মেধা কাজে লাগিয়ে চলতে পারব।’ মো. রাসেল নামের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি তিন মাসে ফ্রিজের কাজ শিখেছি। এখানকার শিক্ষকরা আমাদের হাতেকলমে কাজ শিখিয়েছেন। এখন আমাকে একটি ফ্রিজ সম্পূর্ণ খুলে দিলে তা ঠিক করে ফেলব। আমি এ জন্য ধন্যবাদ জানাই বসুন্ধরা গ্রুপকে।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেজা আহমেদ বলেন, বসুন্ধরা গ্রুপ ও ফ্রেন্ডশিপের যৌথ উদ্যোগে এই প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। তিনি প্রশিক্ষণের গুণগত মানের প্রশংসা করেন এবং এর মাধ্যমে তরুণদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা প্রকাশ করেন। প্রধান অতিথি বলেন, বসুন্ধরার এ প্রশিক্ষণ সেন্টার থেকে কী শিখলে এবং কী করছো, সেটা দেখে তোমাদের পরিবারের ও সমাজের অন্যরাও কাজে লাগাবে। শুধু স্কিল ডেভেলপমেন্ট করলে হবে না, সেটাকে ইতিবাচক কাজে লাগাতে হবে। আমরা তোমাদের ভালো শিক্ষার্থী নয়, সুনাগরিক ও ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।

আরো বক্তব্য দেন মো. অলিভ হুসাইন (অলিভ) ফ্রেন্ডশিপ প্রজেক্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার, এডুকেশন ফ্রেন্ডশিপ, শিক্ষার্থী মো. শাহিন আলম ও মো. শাকিল মিয়া।