শিরোনামঃ
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচ দিয়ে নতুন সম্ভাবনার পথে আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়াম ক্রীড়াঙ্গনে পরিবর্তনের মশাল জ্বালিয়েছে এবিজি স্পোর্টস সিটি চিকিৎসাসেবা থেকে শিক্ষা সহায়তা: জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৭ বছর বসুন্ধরা গ্রুপের উপহারে ১০০ নারীর হাতে স্বাবলম্বিতার হাতিয়ার গাড়ির বাজার ও দুই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে মুখর আইসিসিবি তামাকজনিত মৃত্যু কমাতে সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধিমালা দ্রুত প্রণয়নের আহ্বান  দেবী দুর্গার মহিমা ও নারীশক্তির বন্দনায় প্রকাশিত ‘মহাদুর্গা’ মেরিটাইম প্রদর্শনী আর গাড়ির বাজারে সরগরম রাজধানীর আইসিসিবি চীনের গুয়াংসি ইউফেংয়ের সঙ্গে বসুন্ধরা গ্রুপের চুক্তি  মামলা প্রত্যাহারে আগে সম্মতি, ব্যাংকের ক্ষেত্রে নেই সেই নিশ্চয়তা

ডেলিভারি সম্পর্কে ধারনা পাল্টে দিল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

#
news image

দেশের অধিকাংশ মানুষের ধারণা ছিল সিজারের মাধ্যমে ডেলিভারি হলে পরবর্তী প্রতিটি প্রেগনেন্সিতে সিজার করা দরকার। কিন্তু সেই ধারনা পাল্টে দিল রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। দেশে লাগামহীনভাবে বেড়ে যাওয়া সিজারের সংখ্যা কমিয়ে আনতে সিজারিয়ান প্রেগনেন্সি রোগীকেও নরমাল ডেলিভারিতে উদ্ভুদ্ধ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, সিজারিয়ান ডেলিভারির পরও ৭০-৭৫ ভাগ মা পরবর্তী প্রেগনেন্সিতে নরমাল ডেলিভারির জন্য উপযুক্ত থাকেন। প্রথমবার সিজারিয়ান হওয়ার পরও দ্বিতীয়বার নরমাল ডেলিভারি হওয়া সম্ভব। তবে এটি মূলত ডাক্তার ও নার্সদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও কাউন্সিলিং এর মাধ্যমে সম্ভব। এ জন্য অন্তঃসত্ত্বার শারীরিক অবস্থা ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বুঝে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল সিজারিয়ান প্রেগনেন্সি রোগীকে নরমাল ডেলিভারি করে থাকেন। এতে প্রসুতি মা ও বাচ্চা দু’জনই সুস্থ থাকেন।

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সিজারিয়ান ডেলিভারির জন্য আসা বেশ কয়েকজন রোগী নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে সন্তান প্রসব করতে পেরে রোগী ও তার পরিবারের সবাই খুশি। সিজারিয়ান ডেলিভারি নিয়ে নানা চিন্তার মধ্যে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল আশার আলো দেখিয়েছে বলে আনন্দিত স্বজনরা।

আমেনা বেগম নামের এক রোগী জানান, আমার প্রথম বাচ্চা সিজারের মাধ্যমে হয়েছে। এজন্য আমার পরিবারের সবাই সিজার করেতে বলেছে। তবে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সরা আমাকে নরমাল ডেলিভারিততে উদ্বুদ্ধ করেছে এবং সাহস যোগিয়েছে। তাদের পরামর্শে আমি নরমাল ডেলিভারিতে সম্মতি দেই। নরমাল ডেলিভারি করাতে পেরে আমি অনেক খুশি।

শরিয়াতপুর থেকে আসা আরেক রোগীর স্বজন জানান, আমার প্রথম সন্তান নারমালে এবং ২য় সন্তান সিজারের মাধ্যমে হয়েছে। তাই আমি বাসা থেকে সিজারের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে এসেছি। তবে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সদের আন্তরিক প্রচ্ষ্টোয় আমার রোগীর নরমাল ডেলিভারি করা হয়েছে। এজন্য মহান আল্লাহর নিকট লাখো কোটি শুকরিয়া। বিশেষ করে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

আদ্-দ্বীন হাসপাতালসমূহের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাহিদ ইয়াসমিন বলেন, আদ্-দ্বীন হাসপাতাল শুরু থেকেই নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে গর্ভবতি মায়েদের আস্থা আর্জন করেছে। আমরা মূলত চেষ্টা করি নিরাপদ ডেলিভারি বা সেভ ডেলিভারির। সেভ ডেলিভারির জন্য আমরা আন্তরিক ভাবে চেষ্টা করে থাকি।

তিনি আরো বলেন, নরমাল ডেলিভারির ব্যাপারে আমাদের ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্য স্টাফরা খুবই আন্তরিক। এছাড়া আগের সিজারিয়ান ডেলিভারি থাকলেও আমরা রোগীদের কাউন্সিলিং এর মাধ্যমে নরমাল ডেলিভারিতে উদ্বুদ্ধ করে থাকি। তবে মা ও বাচ্চা যাতে সুস্থ থাকে আমরা সেদিকে লক্ষ্য রেখেই সিজারিয়ান রোগীকেও নরমাল ডেলিভারি করে থাকি।

নিজস্ব প্রতিনিধি

৮-১-২০২৫ রাত ১:১

news image

দেশের অধিকাংশ মানুষের ধারণা ছিল সিজারের মাধ্যমে ডেলিভারি হলে পরবর্তী প্রতিটি প্রেগনেন্সিতে সিজার করা দরকার। কিন্তু সেই ধারনা পাল্টে দিল রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। দেশে লাগামহীনভাবে বেড়ে যাওয়া সিজারের সংখ্যা কমিয়ে আনতে সিজারিয়ান প্রেগনেন্সি রোগীকেও নরমাল ডেলিভারিতে উদ্ভুদ্ধ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, সিজারিয়ান ডেলিভারির পরও ৭০-৭৫ ভাগ মা পরবর্তী প্রেগনেন্সিতে নরমাল ডেলিভারির জন্য উপযুক্ত থাকেন। প্রথমবার সিজারিয়ান হওয়ার পরও দ্বিতীয়বার নরমাল ডেলিভারি হওয়া সম্ভব। তবে এটি মূলত ডাক্তার ও নার্সদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও কাউন্সিলিং এর মাধ্যমে সম্ভব। এ জন্য অন্তঃসত্ত্বার শারীরিক অবস্থা ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বুঝে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল সিজারিয়ান প্রেগনেন্সি রোগীকে নরমাল ডেলিভারি করে থাকেন। এতে প্রসুতি মা ও বাচ্চা দু’জনই সুস্থ থাকেন।

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সিজারিয়ান ডেলিভারির জন্য আসা বেশ কয়েকজন রোগী নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে সন্তান প্রসব করতে পেরে রোগী ও তার পরিবারের সবাই খুশি। সিজারিয়ান ডেলিভারি নিয়ে নানা চিন্তার মধ্যে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল আশার আলো দেখিয়েছে বলে আনন্দিত স্বজনরা।

আমেনা বেগম নামের এক রোগী জানান, আমার প্রথম বাচ্চা সিজারের মাধ্যমে হয়েছে। এজন্য আমার পরিবারের সবাই সিজার করেতে বলেছে। তবে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সরা আমাকে নরমাল ডেলিভারিততে উদ্বুদ্ধ করেছে এবং সাহস যোগিয়েছে। তাদের পরামর্শে আমি নরমাল ডেলিভারিতে সম্মতি দেই। নরমাল ডেলিভারি করাতে পেরে আমি অনেক খুশি।

শরিয়াতপুর থেকে আসা আরেক রোগীর স্বজন জানান, আমার প্রথম সন্তান নারমালে এবং ২য় সন্তান সিজারের মাধ্যমে হয়েছে। তাই আমি বাসা থেকে সিজারের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে এসেছি। তবে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সদের আন্তরিক প্রচ্ষ্টোয় আমার রোগীর নরমাল ডেলিভারি করা হয়েছে। এজন্য মহান আল্লাহর নিকট লাখো কোটি শুকরিয়া। বিশেষ করে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

আদ্-দ্বীন হাসপাতালসমূহের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাহিদ ইয়াসমিন বলেন, আদ্-দ্বীন হাসপাতাল শুরু থেকেই নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে গর্ভবতি মায়েদের আস্থা আর্জন করেছে। আমরা মূলত চেষ্টা করি নিরাপদ ডেলিভারি বা সেভ ডেলিভারির। সেভ ডেলিভারির জন্য আমরা আন্তরিক ভাবে চেষ্টা করে থাকি।

তিনি আরো বলেন, নরমাল ডেলিভারির ব্যাপারে আমাদের ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্য স্টাফরা খুবই আন্তরিক। এছাড়া আগের সিজারিয়ান ডেলিভারি থাকলেও আমরা রোগীদের কাউন্সিলিং এর মাধ্যমে নরমাল ডেলিভারিতে উদ্বুদ্ধ করে থাকি। তবে মা ও বাচ্চা যাতে সুস্থ থাকে আমরা সেদিকে লক্ষ্য রেখেই সিজারিয়ান রোগীকেও নরমাল ডেলিভারি করে থাকি।