শিরোনামঃ
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচ দিয়ে নতুন সম্ভাবনার পথে আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়াম ক্রীড়াঙ্গনে পরিবর্তনের মশাল জ্বালিয়েছে এবিজি স্পোর্টস সিটি চিকিৎসাসেবা থেকে শিক্ষা সহায়তা: জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৭ বছর বসুন্ধরা গ্রুপের উপহারে ১০০ নারীর হাতে স্বাবলম্বিতার হাতিয়ার গাড়ির বাজার ও দুই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে মুখর আইসিসিবি তামাকজনিত মৃত্যু কমাতে সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধিমালা দ্রুত প্রণয়নের আহ্বান  দেবী দুর্গার মহিমা ও নারীশক্তির বন্দনায় প্রকাশিত ‘মহাদুর্গা’ মেরিটাইম প্রদর্শনী আর গাড়ির বাজারে সরগরম রাজধানীর আইসিসিবি চীনের গুয়াংসি ইউফেংয়ের সঙ্গে বসুন্ধরা গ্রুপের চুক্তি  মামলা প্রত্যাহারে আগে সম্মতি, ব্যাংকের ক্ষেত্রে নেই সেই নিশ্চয়তা

শিল্প খাতের উন্নয়ন ছাড়া শক্তিশালী অর্থনীতি সম্ভব নয়: অর্থমন্ত্রী

#
news image

দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে শিল্প খাতের উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, শিল্পের অগ্রগতি নিশ্চিত না হলে অর্থনীতিও কাঙ্ক্ষিতভাবে শক্তিশালী হবে না। তাই শিল্প খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে ধাপে ধাপে সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভবনে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) এবং সৌদি আরব-বাংলাদেশ চেম্বারের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

তিনি জানান, শিল্প খাতের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকারের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের নিয়মিত সংলাপ অব্যাহত থাকবে। বৈঠকে বিটিএমএর পক্ষ থেকে শিল্প খাতের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে কয়েকটি বিষয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আর বাকি বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার চায় দেশের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো আরও প্রতিযোগিতামূলক ও সক্ষম হয়ে উঠুক। কারণ টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রধান ভিত্তি শিল্প খাত। এ কারণে ব্যবসায়ীদের সমস্যার সমাধানে ধারাবাহিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, ব্যবসা পরিচালনা সহজ করতে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ শিথিল (ডিরেগুলেশন) করেছে। এরপরও যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়ে গেছে, সেগুলো চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে দূর করা হবে।

বৈঠকে সৌদি আরবের সঙ্গে দক্ষ জনশক্তি উন্নয়ন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বিকল্প অর্থায়নের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারের অর্থায়ন কাঠামো পুনর্বিন্যাসের কাজ চলমান রয়েছে। নতুন অর্থায়নের উৎস খুঁজে বের করার পাশাপাশি সৌদি আরবের সহযোগিতার সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হচ্ছে।

নতুন বাজেট সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করে অর্থমন্ত্রী বলেন, "বাজেট কেমন হয়েছে, সেটা আপনারাই বলবেন। আমি কীভাবে বলব?"

রাজস্ব আদায় প্রসঙ্গে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, চলতি অর্থবছরে নির্ধারিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যে এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রস্তুত রয়েছেন এবং রাজস্ব আদায় সন্তোষজনক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তবে রাজস্ব আদায় তদারকিতে গঠিত টাস্কফোর্সের কার্যক্রম সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১০-৭-২০২৬ দুপুর ২:৫১

news image

দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে শিল্প খাতের উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, শিল্পের অগ্রগতি নিশ্চিত না হলে অর্থনীতিও কাঙ্ক্ষিতভাবে শক্তিশালী হবে না। তাই শিল্প খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে ধাপে ধাপে সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভবনে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) এবং সৌদি আরব-বাংলাদেশ চেম্বারের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

তিনি জানান, শিল্প খাতের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকারের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের নিয়মিত সংলাপ অব্যাহত থাকবে। বৈঠকে বিটিএমএর পক্ষ থেকে শিল্প খাতের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে কয়েকটি বিষয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আর বাকি বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার চায় দেশের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো আরও প্রতিযোগিতামূলক ও সক্ষম হয়ে উঠুক। কারণ টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রধান ভিত্তি শিল্প খাত। এ কারণে ব্যবসায়ীদের সমস্যার সমাধানে ধারাবাহিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, ব্যবসা পরিচালনা সহজ করতে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ শিথিল (ডিরেগুলেশন) করেছে। এরপরও যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়ে গেছে, সেগুলো চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে দূর করা হবে।

বৈঠকে সৌদি আরবের সঙ্গে দক্ষ জনশক্তি উন্নয়ন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বিকল্প অর্থায়নের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারের অর্থায়ন কাঠামো পুনর্বিন্যাসের কাজ চলমান রয়েছে। নতুন অর্থায়নের উৎস খুঁজে বের করার পাশাপাশি সৌদি আরবের সহযোগিতার সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হচ্ছে।

নতুন বাজেট সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করে অর্থমন্ত্রী বলেন, "বাজেট কেমন হয়েছে, সেটা আপনারাই বলবেন। আমি কীভাবে বলব?"

রাজস্ব আদায় প্রসঙ্গে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, চলতি অর্থবছরে নির্ধারিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যে এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রস্তুত রয়েছেন এবং রাজস্ব আদায় সন্তোষজনক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তবে রাজস্ব আদায় তদারকিতে গঠিত টাস্কফোর্সের কার্যক্রম সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি।